হাজি সাহেবের শেষকৃত্যে ১৫ হাজার মানুষের জমায়েত। উপস্থিত ২ বিধায়ক‌ও।

হাজি সাহেবের শেষকৃত্যে ১৫ হাজার মানুষের জমায়েত। উপস্থিত ২ বিধায়ক‌ও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা পৃথিবীর বুকে এখনো পর্যন্ত সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাস প্রাণ কাড়ছে একের পর এক মানুষের। সারা পৃথিবী থেকে জনজীবনের সেই স্বাভাবিক দিনগুলিকে ফিকে করে দিয়েছে এই আতঙ্কের ভাইরাস। এখনো পর্যন্ত সারা ভারতের বুকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ কোটি ৮১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৪৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৯০৯ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ কোটি ৫৯ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬২৯ জন। এই মুহূর্তে সারা ভারত জুড়ে তিনটি করোনা টীকা চালু রয়েছে। কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ড এবং রাশিয়ান টীকা স্পুটনিক ভি।

এই সময়ে দেশবাসীকে মাস্ক পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলতে বারবার অনুরোধ করছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু এই আবহেই যেখানে মানুষের জমায়েতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে সেখানে দেখা গিয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা‌ ।রাজস্থানের জয়পুরের বিখ্যাত সমাজসেবী রফত আহমেদের নামাজ পড়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। এই হাজি সাহেব ঈদের সময় অনুরোধ করেছিলেন করোনা আবহে বাইরে বেরিয়ে ঈদপালন না করতে, সেই হাজি সাহেবের শেষকৃত্যের আগে জানাজায় প্রায় ১৫ হাজারের‌ও বেশী মানুষের ঢল নেমেছে জয়পুরের রাস্তায়।

আরও পড়ুন-‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই’- সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী দেখার স্বপ্ন।

এই বিপুল জনসমুদ্রকে আটকানোর ক্ষমতা পুলিশের ছিলো না। উপরন্তু পুলিশ এই জানাজার কাছাকাছি উপস্থিত থেকে ভীড় নিয়ন্ত্রণ করছিলো। আবার দুই কংগ্রেস বিধায়ক রফিক খান এবং আমিন কাদরি এই ভীড়ে শামিল হয়েছিলেন। এই ভীড় দেখে সকলেই যথেষ্ট আতঙ্কগ্রস্থ হয়েছেন। পুলিশ কংগ্রেস বিধায়ক রফিক খান সহ আরো বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মহামারী আইন লঙ্ঘন মামলায় মামলা দায়ের করেছে বলে জানা গিয়েছে।হাজি রফত আহমেদ একজন বিশিষ্ট শিক্ষিত সমাজসেবী বলে পরিচিত ছিলেন। তিনি তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতিটি মানুষকে শিক্ষিত হতে উৎসাহ যুগিয়েছেন। কিন্তু তাঁর জানাজায় এই ব্যাপক পরিমাণ ভীড়ের প্রতিবাদ করেছে ভারতের কোটি কোটি মানুষজন।