নিউজটেক নিউজরাজ্য

পশ্চিমবঙ্গে সূত্রপাত হতে চলেছে বিনা ব্যয়ে টেলিমেডিসিন ‘স্বাস্থ্য ইঙ্গিত’ প্রকল্প।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মাটিতে বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পের সূচনা করেছেন। ‌ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত খাদ্য সাথী, স্বাস্থ্য সাথী , কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রভৃতি প্রকল্প গুলি সারা রাজ্য তথা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীর জন্য সূচনা করেছেন ‘স্বাস্থ্য ইঙ্গিত’ প্রকল্পের।গতকাল কলকাতা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এই প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যসচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদী।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‌ এছাড়াও এই স্টেডিয়াম থেকে মুখ্যমন্ত্রী খেলা হবে কর্মসূচির সূত্রপাত করেছেন।জানা গিয়েছে এই স্বাস্থ্য ইঙ্গিত প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার মানুষজন ফোন এবং অনলাইনের মাধ্যমেই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে সক্ষম হবেন এবং তারা প্রেসক্রিপশন নিতে পারবেন। বাংলার স্বাস্থ্য পরিষেবায় একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে বিবেচিত হতে চলেছে এই স্বাস্থ্য ইঙ্গিত প্রকল্প।মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তিক মানুষকে উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে তিনি প্রথম থেকেই বদ্ধপরিকর, এই লক্ষ্যে রাজ্যের প্রতিটি মানুষকে সহজলভ্য এবং সুলভ এবং পাশাপাশি উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্যই এই মানবিক প্রকল্পের উদ্ভাবন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন-আত্মসমর্পণ করেছিল ২২০ জন মাওবাদী। গতকাল তাদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র দিলো রাজ্য সরকার।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টেলিমেডিসিন পরিষেবা পাবেন মানুষজন। ‌ স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলিতে এই প্রকল্পের দ্বারা ‘ই ক্লিনিক’ বানানো হবে। যার ফলে গ্রামবাসীরা খুব সহজেই চিকিৎসকদের মূল্যবান পরামর্শ পেতে সক্ষম হবেন। এই টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসকদের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষ জনরা।

আরও পড়ুন-একরত্তি শিশু ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা থেকে বাঁচিয়ে দিল ক্যানিং লোকালকে।

এছাড়াও এই প্রকল্পের মাধ্যমে এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রোগীর চিকিৎসা এবং তার স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখার বিষয়টি খুব সহজেই সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চিকিৎসার যে খরচ হয় সেটাই টেলিমেডিসিন প্রকল্পে অনেকটাই কম হবে বলে আশা করছেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্য সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে আপাতত রাজ্যের ২৩১৩ টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই পরিষেবা চালু করা হতে চলেছে। ‌ আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্যের প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই পরিষেবা চালু করে দেওয়া হবে।

এর ফলে বাংলার বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Related Articles

Back to top button