রাজ্যনিউজপলিটিক্স

রাজ্যে হিংসার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপালের সাথে রাজভবনের বারান্দায় সাক্ষাৎ করলেন ৫০ জন বিজেপি বিধায়ক

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয় লাভের পর থেকেই যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। জায়গায় জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছে বিজেপির নেতা কর্মীরা এমনটাই অভিযোগ করছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। ‌ দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব দের জানিয়ে কোনো লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি সমর্থকরা। রাজ্যে হিংসাত্মক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে একাধিকবার টুইট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

এমনকি রাজ্যের এই হিংসাত্মক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল যাতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা যায়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছেন যে যে সমস্ত জায়গাগুলিতে বিজেপি জয়লাভ করেছে শুধুমাত্র সেই জায়গাগুলিতে সন্ত্রাস চলছে। রাজ্যের কোন জায়গায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিজেপি বিধায়ক রা সকলে একযোগে তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।

আরও পড়ুন-শুভেন্দু অধিকারী কে আইনি নোটিশ দিলো গরু পাচারে অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র।

এবার রাজ্যের এই হিংসাত্মক পরিস্থিতির অভিযোগে রাজ্যপালের কাছে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন বিজেপির মোট ৫০ জন বিধায়ক। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যপালের সাথে দেখা করেছেন তারা। রাজভবনের বারান্দায় বিধায়কদের সাথে কথা বলেছেন রাজ্যপাল। এর পরেই রাজ্যপালের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়, “রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং রাজ্য পুলিশের পক্ষপাতিত্বের সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপির ৫০ জন বিধায়ক।”

আরও পড়ুন-পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির মাদারিহাটের বিজেপি বিধায়ক । উঠলো জল্পনা।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে বলেছেন যে, “ধর্মনিরপেক্ষতার মানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। গত ২ রা মে থেকে রাজ্যে হিংসাত্মক পরিস্থিতি ঘটে চলেছে। তপশিলি জাতি এবং উপজাতিদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে রয়েছে। হবিবপুর, মানিকচক, ফরাক্কায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন-পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির মাদারিহাটের বিজেপি বিধায়ক । উঠলো জল্পনা।

আমাদের বিধায়ক তাপসী মন্ডল এর বাড়িতে গিয়ে হাঙ্গামা চালিয়ে তাকে পদত্যাগ পত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় কে পান্ডুয়ায় বাধা দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা মামলায় জেল খাটানো হয়েছিল খয়রাশোল এর মন্ডল বিজেপি সভাপতি কে । বাড়ি আসার পথে খুন করা হয় তাকে।

এখনো পর্যন্ত আমাদের ১৭ হাজার জন কর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন। রাজ্য সরকার যদি ভেবে থাকে ক্ষমতা দেখে বিরোধীদের শেষ করবেন তাহলে তারা ভুল পদক্ষেপ নিচ্ছে।”

Related Articles

Back to top button