নিউজকলকাতাপলিটিক্সরাজ্য

শুভেন্দু অধিকারীকে বিরোধী নেতা মানতে রাজী নন দলের‌ই ৩৪ জন বিধায়ক।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত দেখে অনিক তৃণমূল নেতা নেত্রীরাই বিজেপির ছত্রছায়ায় চলে এসেছিলেন। বেশ কয়েকজন তাবড় তাবড় তৃণমূল নেতা নেত্রীরা নাম লিখিয়েছিলেন বিজেপিতে। তবে অনেক আগেই বিজেপিতে চলে এসেছিলেন মুকুল রায় । গত বছরের শেষদিকে বিজেপিতে ঢোকেন একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু একুশের ভোটে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছেন।কিছু ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুকে প্রধান বিরোধী দলনেতা বানিয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। আর শীর্ষ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ হয়েছে বিজেপির বহু নেতাকর্মীরা।জানা গিয়েছে শুভেন্দুকে এই পদে চাইছেন না বিজেপির সদ্য নির্বাচিত ৩৪ জন বিধায়ক।

আরও পড়ুন-“একটা পরিবারের জন্য গোটা জেলা শেষ হয়ে গিয়েছে।”- পূর্ব মেদিনীপুর গিয়ে অভিষেকের আক্রমণ শুভেন্দু কে

এই বিধায়করা রাজ্যের শীর্ষ নেতাদের জানিয়েছেন, ‘প্রধান বিরোধী দলনেতা হিসেবে তারা কিছুতেই শুভেন্দুকে মানতে পারবেন না।’ তারা চাইছেন যারা আগে থেকেই বিজেপিতে রয়েছেন তারাই বিরোধী দলনেতা পদে আসীন হোক।
ওই ৩৪ জন বিজেপি বিধায়কদের দাবি, “দলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে শীর্ষ নেতাদের বুঝিয়ে এই পদ অধিকার করেছেন শুভেন্দু।

আরও পড়ুন-“সাবালকদের ব্যর্থতা নাবালককেই দেখতে হয়।”- শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দলের শীর্ষ নেতারাও একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শুভেন্দুকে ইতি মুহূর্তে প্রধান বিরোধী দলনেতা থেকে সরিয়ে আদি বিজেপির কোনো নেতাকে এই পদে আসীন করা হোক। নাহলে সমস্ত বিক্ষুব্ধ বিধায়করা গণ ইস্তফার পথ অবলম্বন করতে বাধ্য থাকবে।“এর ফলে বিজেপিতে শুভেন্দু অধিকারীর আগামী অবস্থান সম্পর্কে একটি প্রশ্নচিহ্ন উঠে গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button